মহিবুল আলমের উপন্যাস

তালপাতার পুথি

তিনখণ্ডে প্রকাশিতব্য

১৯৮৪/৮৫ থেকে বদলে যেতে থাকলো, মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে সাধারনের চেয়ে একটু বেশী কৌতুহল বদলে দিতে থাকলো সব কিছু… ১৯৮৬/৮৭: শেখ মুজিব ও আওয়ামী লীগ কত খারাপ তা প্রমানে আমার এক কুড়াল বন্ধু তার নেতার নামাঙ্কিত একখানী পুস্তিকা ধরিয়ে দিল- ২৫ বছরের গোলামী চুক্তি…

তারপর, বছর চলে যায়…
একদিন, এক সন্ধ্যায় হলো ‘বঙ্গবন্ধুর স্বদেশ প্রত্যাবর্তন’

ইমেইল

mohibulalam.k@gmail.com

নব্বই দশকের কথাসাহিত্যিক

মহিবুল আলম

নব্বই দশকের নিবেদিতপ্রাণ কথাসাহিত্যিক মহিবুল আলম। জন্ম ১৯শে জানুয়ারি ১৯৬৯, সিলেটের গোবিন্দগঞ্জে। পৈতৃক নিবাস কুমিল্লার মুরাদনগর সদরের কাজীবাড়ি। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বাংলাভাষা ও সাহিত্যে স্নাতকোত্তর মহিবুল দীর্ঘদিন ধরে প্রবাসী। প্রায় আঠারো বছর নিউজিল্যান্ডে বসবাস করে বর্তমানে থিতু হয়েছেন অস্ট্রেলিয়ার কুইন্সল্যান্ডের গোল্ড কোস্ট শহরে। বাংলা একাডেমির তরুণ লেখক প্রকল্প থেকে প্রকাশিত হয় প্রথম গল্পগ্রন্থ ‘তিথিক্ষয় ও আকাশগঙ্গা’। দ্বিতীয় গল্পের বই ‘নদীবান ও কষ্টের পাঁচ আঙুল’। প্রথম উপন্যাস ‘কাঁচাজল’। গ্রামীণ প্রেক্ষাপটে লেখা। এরপর প্রেম-ভালোবাসা, রাজনীতি ও ইতিহাস, নগর জীবনের বহুবিধ সংকট, প্রবাসজীবন ও ভ্রমণ নিয়ে বেশ কয়েকটি উপন্যাস লিখেছেন তিনি। এগুলোর মধ্যে ‘ঈশ্বর’ নামে একটি নিরীক্ষাধর্মী উপন্যাসও আছে। যে উপন্যাসে চরিত্রগুলোর কোনো নাম নেই। শুধুমাত্র ভাববাচ্যে লেখা। তাঁর সবচেয়ে আলোচিত উপন্যাস ‘তালপাতার পুথি-১’ ও ‘তালপাতার পুথি-২’। যা পরবর্তীতে পরিমার্জিত অখণ্ড সংস্করণ বের হয়েছে। বঙ্গবন্ধুর জীবনকেন্দ্রিক বিশাল পরিসরে রচিত এ আখ্যান সচেতন পাঠকমহলে অভিনন্দিত হয়েছে। প্রথম গল্পগ্রন্থ ‘তিথিক্ষয় ও আকাশগঙ্গা’র জন্যে পেয়েছেন বাংলা একাডেমির তরুণ লেখক প্রকল্প পুরস্কার (১৯৯৮)। বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন নিউজিল্যান্ড ইনকর্পোরেট ও বাংলাদেশ সোসাইটি নিউজিল্যান্ড ইনকর্পোরেট-এর যৌথ আয়োজনে লাভ করেছেন প্রবাসী সাহিত্যিক সম্মাননা পুরস্কার (২০১৩)। দীর্ঘ প্রবাসজীবনে অর্জন করেছেন বহুবর্ণিল অভিজ্ঞতা আর সেই অভিজ্ঞতার আলোকে দেশ ও দেশের মানুষকে কেন্দ্রে রেখে তার নিরন্তর সাহিত্য-সংগ্রাম।

প্রকাশিত বই

মরদ

ভরা মজলিসে স্ত্রী উম্মে বেগম কুলসুমের উত্মা গলা, তাইনে। মরদ নিহি, না-মরদ…! তারপর থেকে আসকর আলী মৌলবি নিজের ভেতর নিজেকে খোঁজেন। তার ভেতরের ফসলী জমিতে বিস্তীর্ণ খরার টন।

জোড়া সিঁথি নদীর তীরে

ব্যাপারটা রূপকথার মতােই। কোনাে এক জোড়া সিঁথি নদীর তীর। তীর ঘেঁষে এক রাজপ্রাসাদ। রাজপ্রাসাদের একটা বৃহৎ জানালার পাশে এক রাজকন্যা দাঁড়িয়ে আছে। রাজকন্যার পরনে টিয়ে রঙের শাড়ি।

কাঁচাজল

কোনাে এক শীতের রাত্রিতে বৃষ্টির মতন ভিজছিলাে এক যুবতী আলপাড়ে উঠে আসা এক নদী, ভাঙাঘাট আর রঙচটা কাকালের ভরা কলসের মতাে ভরাট যৌবন বাহারি কপালে কষ্টের আড়াল  যুবতী রাত্রিতে ভিজছিলাে শুধু।

তালপাথার পুথি

জেলেই কেটেছে দুই দশকেরও বেশি সময় । স্বৈরশাসকের রক্তচক্ষু কখনাে তার মনে ভয় ধরাতে পারেনি! মাটি ও মানুষের প্রতি দুর্নিবার ভালােবাসা ও অঙ্গীকার তাঁকে করে তুলেছে। স্বাধীনচেতা ও বজ্রকণ্ঠ। 

{

তালপাতার পুথি-১

বঙ্গবন্ধুর জীবনভিত্তিক সামাজিক আখ্যান

– ড. মিল্টন বিশ্বাস

{

জোড়া সিঁথি নদীর তীরে...

এত দীর্ঘ উপন্যাস পড়ার পরও ক্লান্তি আসে নি।

– বিবেকানন্দ বসাক

{

‘তালপাতার পুথি’

এই মহাকাব্যিক উপন্যাস বাংলাদেশ ভূখণ্ডের সবচেয়ে বড়ো শত্রুকেও কাঁদাতে বাধ্য করবে

সুব্রত কুমার দাস

সরাসরি লেখককে লিখুন

mohibulalam.k@gmail.com

প্রকাশক-সম্পাদক লিখুন

admin@writermohibulalam.com

বইয়ের সমালোচনা লিখুন

mohibulalam.k@gmail.com